৭ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বানে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ার অভিমুখে লংমার্চের উদ্বোধনী জনসভায় বক্তব্য রাখছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জননেতা মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি।

এসময় তিনি বলেন, “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন; জুলাই গণহত্যার বিচার; বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন; নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ; আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ; এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ”- করার ৭ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কোনো দলীয় কর্মসূচি নয় এটি জাতীয় কর্মসূচি। তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুধাবনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, জনগণের মতামতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য নিরব থাকতে পারে না। তাই জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও মতামত বাস্তবায়ন করতে এবং সরকারি দলের দ্বারা সৃষ্ট জনদুর্ভোগ নিরসনে ১১ দলীয় ঐক্য ৭ দফা দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচি পালনে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছে। লংমার্চ কর্মসূচি পালনে দেশবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে জনগণ এখনো শান্তিপূর্ণভাবে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালাচ্ছে। কিন্তু সরকার জনগণের ভাষা বুঝতে না পারলে আন্দোলন কঠোর হবে। জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য ঘরে ফিরে যাবে না।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপির পরিচালনায় আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ জনসভা শেষে, লংমার্চের গাড়ি বহর ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক দিয়ে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ার অভিমুখে জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এমপি’র নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করে। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে লংমার্চে অংশগ্রহণ করেন।

যাত্রাপথে শরিয়তপুরের জাজিরা নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাট কাটাখালী মোড়, খুলনার শিব বাড়ি মোড় বাবরি চত্বর, খুলনা স্বাধীনতা চত্বর ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড, যশোর মুজদী মোড়, ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ রাতে কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে লংমার্চের সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

এসময় তিনি বলেন, “গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন; জুলাই গণহত্যার বিচার; বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন; নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ; আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ; এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ”- করার ৭ দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঘোষিত লংমার্চ কোনো দলীয় কর্মসূচি নয় এটি জাতীয় কর্মসূচি। তিনি আরও বলেন, সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা অনুধাবনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে, জনগণের মতামতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য নিরব থাকতে পারে না। তাই জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও মতামত বাস্তবায়ন করতে এবং সরকারি দলের দ্বারা সৃষ্ট জনদুর্ভোগ নিরসনে ১১ দলীয় ঐক্য ৭ দফা দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচি পালনে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছে। লংমার্চ কর্মসূচি পালনে দেশবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে জনগণ এখনো শান্তিপূর্ণভাবে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চালাচ্ছে। কিন্তু সরকার জনগণের ভাষা বুঝতে না পারলে আন্দোলন কঠোর হবে। জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য ঘরে ফিরে যাবে না।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপির পরিচালনায় আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ জনসভা শেষে, লংমার্চের গাড়ি বহর ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক দিয়ে খুলনা হয়ে কুষ্টিয়ার অভিমুখে জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এমপি’র নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করে। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে লংমার্চে অংশগ্রহণ করেন।

যাত্রাপথে শরিয়তপুরের জাজিরা নাওডোবা, বাগেরহাটের ফকিরহাট কাটাখালী মোড়, খুলনার শিব বাড়ি মোড় বাবরি চত্বর, খুলনা স্বাধীনতা চত্বর ফুলতলা বাসস্ট্যান্ড, যশোর মুজদী মোড়, ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষ রাতে কুষ্টিয়ায় শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে লংমার্চের সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
